পহেলা বৈশাখে 8999 com লটারিতে ৳৮.৫ লাখ – রফিকুল ইসলামের গল্প
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামে থাকেন রফিকুল ইসলাম (৩৪)। চাষাবাদ করেন, সাথে ছোট একটা মুদিদোকানও আছে। মাসে গড়ে আয় ১৫-২০ হাজার টাকার মতো। সংসারে স্ত্রী, দুই ছেলে আর বৃদ্ধ বাবা-মা।
রফিক ভাই 8999 com-এর কথা প্রথম জেনেছিলেন পাশের গ্রামের এক বন্ধুর কাছ থেকে। শুরুতে বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু বন্ধু নিজে কয়েকবার ছোট পুরস্কার পেয়েছে দেখে তিনিও চেষ্টা করলেন। প্রথম মাসে মাত্র ৳৫০০ বিনিয়োগ করেছিলেন।
কৌশলটা কী ছিল?
রফিক ভাই বললেন, "আমি কোনো বড় বাজি ধরিনি। প্রতিদিন ৳২০ করে দৈনিক লটারিতে খেলতাম। মাসে হয়তো ১০-১৫ বার ছোট পুরস্কার পেতাম – ৳৫০ বা ৳১০০ করে। সেটাই মনের জোর রাখতো।" তার কাছে 8999 com মানে ছিল দিনের শেষে একটু উত্তেজনা আর সম্ভাবনার আশা।
পহেলা বৈশাখে 8999 com বিশেষ উৎসব লটারি চালু করেছিল। রফিক ভাই সেদিন একটু বেশি সাহস করে৳৫০০-র মেগা বৈশাখী টিকিট কিনেছিলেন। সন্ধ্যায় ড্রেরফলাফল দেখে তিনি ভাবলেন চোখের ভুল হচ্ছে। স্ত্রীকে ডেকে দেখালেন – স্ক্রিনে তার নম্বরটাই জ্বলজ্বল করছে।
রফিকুল ইসলাম বলেন: "বিশ্বাস হচ্ছিল না।ফোন রিস্টার্ট দিলাম, আবার দেখলাম – তবুও একই। তারপর অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স চেক করলাম, দেখি৳৮,৫০,০০০। সেদিন রাতে ঘুম হয়নি।"
টাকা পাওয়ার অভিজ্ঞতা
পরদিন সকালে 8999 com-এর সাপোর্টে যোগাযোগ করলেন। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর দিতে হয়েছিল। দুপুরের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ। বিকেলে Nagad-এ টাকা পৌঁছে গেল। রফিক ভাই সেই টাকায় বাড়িরছাদে টিন দিয়েছেন,ছেলেকে ভালো স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন আর বাকি টাকা সঞ্চয়ে রেখেছেন।